গণপরিবহনের বেপরোয়া গতি ও আমাদের করণীয়
বিষয়: বেপরোয়া যানবাহন চলাচল বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ।
- আপনার জনপ্রিয় সংবাদপত্রের কলামে জনসেবামূলক যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ে আমার মতামত প্রকাশের সুযোগ দিলে আমি অত্যন্ত বাধিত থাকব।
- বেপরোয়া গাড়ি চালানো বর্তমানে একটি নতুন উপদ্রব হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা পথচারী এবং যাত্রী উভয়ের জীবনের জন্যই বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
- বর্তমানে বাস বা মিনিবাসে ভ্রমণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
- চালকরা তাদের যানবাহনগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চালায়।
- তাদের উন্মত্ত এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন প্রতিযোগিতা মাঝে মাঝে এতটাই মারাত্মক হয়ে ওঠে যে তা প্রাণ কেড়ে নেয়।
- তারা ট্রাফিক নিয়মের প্রতি কোনো তোয়াক্কাই করে না।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণেই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
- এছাড়া, একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা (ওভারটেকিং) সব চালকের মধ্যেই দেখা যায়।
- অতীতের অনেক দুর্ঘটনাই এই ওভারটেকিংয়ের কারণে ঘটেছে।
- প্রায়শই বাইক আরোহীরা ট্রাফিক নিয়মকানুন ভঙ্গ করে থাকে।
- এই অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি চালানোর জন্য অনেক নিরপরাধ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়।
- ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ থাকলেও সবাই জানে যে বেপরোয়া চালনা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশের কোনো কার্যকর প্রভাব নেই বা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ পর্যাপ্ত নয়।
- তারা কেবল নিষ্ক্রিয় দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থাকে।
- উপরোক্ত পরিস্থিতিতে, আমি আপনাকে এই বিষয়ে একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধ লেখার অনুরোধ জানাচ্ছি যাতে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
Comments
Post a Comment