Translation on Reckless driving of public vehicles ,Translation Part 6

 

গণপরিবহনের বেপরোয়া গতি ও আমাদের করণীয়

বিষয়: বেপরোয়া যানবাহন চলাচল বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ।


  1. আপনার জনপ্রিয় সংবাদপত্রের কলামে জনসেবামূলক যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ে আমার মতামত প্রকাশের সুযোগ দিলে আমি অত্যন্ত বাধিত থাকব।
  2. বেপরোয়া গাড়ি চালানো বর্তমানে একটি নতুন উপদ্রব হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা পথচারী এবং যাত্রী উভয়ের জীবনের জন্যই বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
  3. বর্তমানে বাস বা মিনিবাসে ভ্রমণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
  4. চালকরা তাদের যানবাহনগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চালায়।
  5. তাদের উন্মত্ত এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন প্রতিযোগিতা মাঝে মাঝে এতটাই মারাত্মক হয়ে ওঠে যে তা প্রাণ কেড়ে নেয়।
  6. তারা ট্রাফিক নিয়মের প্রতি কোনো তোয়াক্কাই করে না।
  7. অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণেই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
  8. এছাড়া, একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা (ওভারটেকিং) সব চালকের মধ্যেই দেখা যায়।
  9. অতীতের অনেক দুর্ঘটনাই এই ওভারটেকিংয়ের কারণে ঘটেছে।
  10. প্রায়শই বাইক আরোহীরা ট্রাফিক নিয়মকানুন ভঙ্গ করে থাকে।
  11. এই অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি চালানোর জন্য অনেক নিরপরাধ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়।
  12. ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ থাকলেও সবাই জানে যে বেপরোয়া চালনা বন্ধে ট্রাফিক পুলিশের কোনো কার্যকর প্রভাব নেই বা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ পর্যাপ্ত নয়।
  13. তারা কেবল নিষ্ক্রিয় দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থাকে।
  14. উপরোক্ত পরিস্থিতিতে, আমি আপনাকে এই বিষয়ে একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধ লেখার অনুরোধ জানাচ্ছি যাতে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

Comments