জনস্বার্থ বিঘ্নিত: নারায়ণপুর-মুনিনগর রাস্তায় বিপজ্জনকভাবে ফেলে রাখা হয়েছে চিপস, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।
নারায়ণপুর-মুনিনগর রাস্তায় মরণফাঁদ: স্কুলের সামনেই যত্রতত্র পাথরের স্তূপ, দুর্ঘটনার আশঙ্কায় পথচারীরা
নারায়ণপুর: জনস্বার্থকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তার মাঝখানে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখার এক ভয়ংকর চিত্র ফুটে উঠল বাঁকুড়ার নারায়ণপুর এলাকায়। নারায়ণপুর গ্রাম থেকে মুনিনগর যাওয়ার প্রধান রাস্তার ওপর গতকাল থেকে পড়ে রয়েছে বিশাল এক চিপস বা পাথরের স্তূপ। যা কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।
ঘটনাস্থল রিপোর্ট:
বিপজ্জনক এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঠিক মুনিনগর রাধাকান্ত উচ্চবিদ্যালয়ে ঢোকার ঠিক আগের রাস্তায়। রাস্তার অর্ধেকেরও বেশি অংশ জুড়ে এই চিপস বা পাথর ফেলে রাখায় যাতায়াতের পথ অত্যন্ত সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে মুনিনগর রাধাকান্ত উচ্চবিদ্যালয়ের শত শত ছাত্র-ছাত্রী এই পথেই স্কুলে যাতায়াত করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, দিনের বেলা কোনোক্রমে যাতায়াত করা গেলেও, রাতের অন্ধকারে বা কুয়াশার মধ্যে এই পাথরের স্তূপ প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। দ্রুতগামী বাইক বা ছোট গাড়ি একটু অসতর্ক হলেই বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন:
ব্যস্ততম এই রাস্তার ওপর এভাবে পাথর ফেলে রাখা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রশ্ন— "প্রশাসন কি বড় কোনো দুর্ঘটনার অপেক্ষায় বসে আছে? রক্ত ঝরলে তবেই কি কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে?"
"জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এভাবে রাস্তার ওপর পাথর ফেলে রাখা আইনত দণ্ডনীয়। অবিলম্বে এই বাধা অপসারণ করে যাতায়াত স্বাভাবিক করা উচিত।"
স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর জোরালো দাবি— কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই দ্রুত এই পাথর সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করা হোক এবং জনজীবন সুরক্ষিত করা হোক।

Comments
Post a Comment